Posts

Showing posts from October, 2026

নিখোঁজ হওয়ার আগে শেষ রাতে কী ঘটেছিল তাহসিফের সঙ্গে? মুখ খুললেন বন্ধু দ্বীপ...

Image
  সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর আগে শেষ রাতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সামনে এসেছে নতুন কিছু তথ্য। তাঁর সঙ্গে শেষবার দেখা হওয়া ব্যক্তিদের একজন দ্বীপের বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। সাংবাদিকদের ফোনে দ্বীপ জানান, ঘটনার দিন রাতে তাঁরা দুজন একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছিলেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলাদা হয়ে যান। বাসায় ফেরার পর নিরাপদে পৌঁছানোর খবর দিতে তাহসিফকে ফোন করেছিলেন তিনি। তবে তখন তাঁর ফোন বন্ধ পান। পরদিনই তাহসিফের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। অন্যদিকে, তাহসিফের বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, দ্বীপই তাঁকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দ্বীপ একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। দ্বীপের ভাষ্য অনুযায়ী, তাহসিফ মাঝেমধ্যে তাঁকে বলতেন, ‘আমি যদি না থাকি, তাহলে আমার ছোট ভাইকে একটু দেখে রাখিস।’ তবে কেন তাহসিফ এমন কথা বলতেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি দ্বীপ। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দ্বীপ জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে সন্দেহ করার মতো কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই। এদিকে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের আলোচিত ভ...

এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।সাত মিনিট ধরে নিজের মুখ দিয়ে…

Image
এক অবিশ্বাস্য ঘটনা! সাত মিনিট ধরে নিজের মুখ দিয়ে অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকের প্রাণ ফিরিয়ে আনলেন চিকিৎসক… হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে হঠাৎই নেমে আসে উৎকণ্ঠা। জন্মের পরপরই ছোট্ট নবজাতকটি ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছিল না। মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ। ডিউটিরত চিকিৎসক ও নার্সরা দ্রুত শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক ছিল যে, চিকিৎসক নবজাতকের শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করার জন্য জরুরি পুনরুজ্জীবন (Resuscitation) প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রতিটি সেকেন্ড তখন ছিল অমূল্য। দীর্ঘ কয়েক মিনিটের নিরলস চেষ্টার পর হঠাৎই শিশুটির বুক ওঠানামা শুরু হয়। এরপর ভেসে আসে ক্ষীণ কান্নার শব্দ। সেই কান্নাই যেন পুরো কক্ষে স্বস্তির নিঃশ্বাস এনে দেয়। উপস্থিত সবার চোখে তখন আনন্দ আর আবেগের অশ্রু। শিশুটিকে পরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং তার অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত, দক্ষতা ও নিরলস প্রচেষ্টাই একটি নতুন জীবনকে বাঁচিয়ে দেয়।

কুমিল্লায় এলাকাবাসীর কাছে ধ’রা পড়লো ৩০ বছরের ম’হিলা এবং তার আপন...

Image
  কুমিল্লার একটি এলাকায় চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে এক ৩০ বছর বয়সী নারী ও তার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকে রাখা হয়েছে বলে এলাকায় আলোচনা চলছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের চলাফেরা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল। পরে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে তাদের দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ বা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য দেয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে অভিযোগকে সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয...

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

Image
           খারাপ জায়গায় যান? এই লেখাটা ঠিক আপনাদের জন্য। ৩৬ বছর বয়সী একজন পুরুষ। পুরুষের সাথেই যৌ/ন সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। আজ তাঁর মুখের ভেতর ছড়িয়ে আছে তিনি HIV/AIDS এ আক্রান্ত নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন। তবুও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই দুর্বল যে সাধারণ একটি ভাইরাস আজ ক্যান্সারের মতো আচরণ করছে (Kaposi sarcoma, HPV সংক্রমণ)। এটাই HIV-এর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক— অবৈধ যৌ/ন সম্পর্ক, নিষিদ্ধ জায়গায় যাওয়া, একাধিক পার্টনার, এই ছোট “ভুলগুলোই” একদিন পুরো জীবন পাল্টে দেয়। একবার ইমিউন সিস্টেম ভেঙে গেলে সংক্রমণ আর ক্যান্সার সুযোগ নেয়। নিজেকে প্রশ্ন করুন— L এক মুহূর্তের আনন্দ এই পরিণতির যোগ্য? নিয়মিত HIV ও STI টেস্ট করুন। লজ্জা না, সচেতনতা জীবন বাঁচায় এই পোস্টটা শেয়ার করুন। ডা:আব্দুর রহমান

রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …

Image
      রাত প্রায় ১২টা। সবাই ঘুমিয়ে গেছে, বাইরে নিস্তব্ধ পরিবেশ। ঠিক সেই সময় একজন ব্যক্তি ঘুমানোর জন্য নিজের রুমে ঢোকেন। রুমে ঢোকার পর স্বাভাবিকভাবেই তিনি বালিশ ঠিক করতে যান। কিন্তু বালিশের নিচে তাকাতেই হঠাৎ তিনি কিছু একটা দেখে কিছুটা চমকে যান। পরে বিষয়টি ভালোভাবে দেখে বোঝা যায়, এটি আসলে একটি সাধারণ ভুল বোঝাবুঝি বা আগে থেকে থাকা কোনো জিনিস ছিল। পরিবারের সদস্যদের মতে, রাতের নিস্তব্ধতা আর অন্ধকারে অনেক সময় ছোট বিষয়ও বড় মনে হতে পারে। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছেন, তবে নিশ্চিতভাবে কিছু না জেনে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো

ইন্না-লিল্লাহ...! ৫ আগস্টের সেই মাস্টারমাইন্ড ভিডিওগ্রাফার আর নেই! তুরাগ নদে মিললো সাবেক পাইলটের লা*...... !

Image
  ইন্না-লিল্লাহ...! ৫ আগস্টের সেই মাস্টারমাইন্ড ভিডিওগ্রাফার আর নেই! তুরাগ নদে মিললো সাবেক পাইলটের লা*...... ! শেখ হাসিনার সেই ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক হেলিকপ্টারে করে পালানোর ভিডিওটির কথা মনে আছে? গণভবনের ভেতর থেকে ধারণ করা সেই এক্সক্লুসিভ ফুটেজটি যিনি প্রথম লাইমলাইটে এনেছিলেন, তিনি হলো, বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এবং মিলিটারি পাইলট কে এম তাহসিফ সৌরি....  ৫ আগস্টের ওই ঘটনার পরপরই তিনি বিমানবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।  প্রথম দিকে বলা হয়েছিল তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু ২০২৩-২০২৫ এর কিছু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছিল যে, ভিডিও ফাঁসের ঘটনার পর এয়ার ইন্টেলিজেন্সের গোপন তদন্তে তাকে চাকরিচ্যুত বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।  বিমানবাহিনী ছাড়ার পর একটি টক-শোতে অংশ নিয়েছিলেন তাহসিফ। সেখানে তিনি ৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে হেলিকপ্টার উড়ে যাওয়ার ভিডিও ধারণ করা এবং তৎকালীন বিমানবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বেশ কিছু স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন। অত্যন্ত রহস্যজনক ২৭ অক্টোবর রাত থেকে হঠাৎ করেই নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। নিখোঁজ হওয়ার ঠিক পরদিনই, ২৮ অক্টোবর ব...

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...

Image
         দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—এসব জানতে পুরো ঘটনাটি জানা জরুরি। বিস্তারিত তথ্য সামনে...

আবশেষে ডি এনএ প’রীক্ষায় মিললো সত্যতা…

Image
   অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল সত্যতা! কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। আগুনে মরদেহগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক উপায়ে পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নিহতদের মরদেহ থেকে সংগ্রহ করা নমুনার সঙ্গে তাঁদের স্বজনদের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে। ২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার কোনো সন্ধান তখনো পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের কোনোটির ডিএনএর সঙ্গে তাঁর নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান নিয়ে উদ্বেগ এখনো কাটেনি। কীভাবে শনাক্ত করা হলো নিহতদের পরিচয়? অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার করা মরদেহগুলোর পরিচয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। আগুনে মরদেহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দেয়...

এক লাফে লিটারপ্রতি যত কমলো ডিজেল ও কেরোসিনের দাম, যা হলো পেট্রোল ও অকটেনের...

Image
  এক লাফে লিটারপ্রতি যত কমলো ডিজেল ও কেরোসিনের দাম, যা হলো পেট্রোল ও অকটেনের বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ভোক্তা পর্যায়ে জানুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দফায় ডিজেল ও কেরোসিন তেলের দাম লিটারে এক টাকা কমানো হয়েছে। তবে পেট্রোল-অকটেনের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার মূল্য বিষয়ক গেজেট জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।মধ্যরাত (১ জানুয়ারি) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে নভেম্বর মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিতে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুয়ায়ী, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১০৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে পেট্রোল ও অকটেনের মূল্য। ভোক্তাপর্যায়ে পূর্বের মতোই পেট্রোল ১২১ টাকা ও ...

আবশেষে ডি এনএ প’রীক্ষায় মিললো সত্যতা…

Image
  অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল সত্যতা! কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। আগুনে মরদেহগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক উপায়ে পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নিহতদের মরদেহ থেকে সংগ্রহ করা নমুনার সঙ্গে তাঁদের স্বজনদের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে। ২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার কোনো সন্ধান তখনো পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের কোনোটির ডিএনএর সঙ্গে তাঁর নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান নিয়ে উদ্বেগ এখনো কাটেনি। কীভাবে শনাক্ত করা হলো নিহতদের পরিচয়? অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার করা মরদেহগুলোর পরিচয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। আগুনে মরদেহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দেয়। এ পর...

আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে...

Image
   টেলিভিশনের টকশোতে আর অংশ নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন ফেসবুক পোস্টে গোলাম মাওলা রনি লেখেন, ‘আল বিদা টকশো। অনিবার্য কারণবশত আজ থেকে কোনো টিভি টকশোতে যাবো না। শুধু আমার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলবো ইনশা আল্লাহ।’ তবে কী কারণে তিনি টেলিভিশনের টকশো থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

বয়স ৫০, তবুও প'র'কী'য়ায় লিপ্ত তারই আপন...

Image
           রাজবাড়ীতে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর স্ত্রী নার্গিস ও গ্রাম পুলিশ জলিলকে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও আইনগতভাবে প্রমাণিত হওয়ার আগেই কাউকে অপমান, মারধর বা প্রকাশ্যে হেনস্তা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগ থাকলে তার সঠিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হওয়া উচিত। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় গুজব, সন্দেহ কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তিরাই নয়, তাঁদের পরিবার ও স্বজনদেরও সামাজিকভাবে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এই ঘটনাটি আমাদের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা—কোনো ঘটনা শুনেই তা সত্য ধরে নেওয়া উচিত নয়। যাচাই না করে কারও বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য, ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়াও উচিত নয়। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক, আর অভিযোগ মিথ্যা হলে নির্...

কোন ভি’টামিনের অভাবে অ'তিরিক্ত...

Image
  তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘাম বের হওয়ারও একটা মাত্রা থাকতে হয়। অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনো রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়।শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামঝরার পেছনে ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বিশেষ করে মাথায় ঘাম বেশি হলে। তবে ভিটামিন ডি ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ হিসেবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাথায় অতিরিক্ত ঘামকে ধরা হয়।আরও পড়ুনঃ মধ্যরাতে এনসিপি নেত্রী তাসনিম জারার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল, অতঃপর যা জানা গেল এছাড়া, ভিটামিন বি–এর অভাব (বিশেষ করে বি১ বা থায়ামিন) থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, কারণ এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। আবার ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেই এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠেহাড় মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যার জোগান দেয় ভিটামিন ডি। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভিতর থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকে।শরী...

মাথার ঘো’মটা দেখলে মনে হয় একজন প’র্দাশীল পরহে’জগার ম’হিলা,কিন্তু পে’শায় একজন...

Image
   মাথায় সুন্দর করে ঘোমটা, পরিপাটি পোশাক আর শান্ত-সৌম্য উপস্থিতি দেখে প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হতে পারে, তিনি একজন সাধারণ গৃহিণী কিংবা পর্দাশীল নারী। কিন্তু তাঁর পেশা জানার পর অনেকেই অবাক হয়েছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি পোস্টকে ঘিরেই শুরু হয়েছে আলোচনা। ভাইরাল পোস্টে ওই নারীর পোশাক ও পেশার মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে নানা মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে ছবি বা ভিডিওটির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনের ভিত্তিতে তাঁর পেশা বা ব্যক্তিগত পরিচয় নিশ্চিত করা যায় না। পোশাক দেখে পেশা নির্ধারণ নয় একজন মানুষের পোশাক, ঘোমটা বা বাহ্যিক উপস্থিতি দেখে তাঁর পেশা, ব্যক্তিত্ব কিংবা জীবনযাপন সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। একইভাবে কোনো নির্দিষ্ট পেশায় থাকা মানেই নির্দিষ্ট ধরনের পোশাক পরতে হবে—এমনও নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় মানুষের ছবি ব্যবহার করে চমকপ্রদ ক্যাপশন তৈরি করা হয়। পরে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ছবির ব্যক্তিকে ঘিরে নানা ধরনের মন্তব্য শুরু হয়। ভাইরাল পোস্টে কৌতূহল ঘোমটা দেওয়া ওই নারীর ছবি দেখে অনেকেই তাঁর প্রকৃত পেশা জানতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কিন্তু নির্ভরযোগ্য সূত্রে তাঁর পরিচয় ও পেশা নিশ...

পানিতে ডুবে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়...

Image
         পানিতে ডুবে যাওয়া তরুণীকে ঘিরে রহস্য, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য রাজধানীর অদূরে একটি পর্যটনকেন্দ্রের লেকে ভোরবেলা ভাসমান অবস্থায় এক তরুণীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় জেলেরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের রাতেই কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল। তবে তারা কারা ছিলেন, সে বিষয়ে কেউ নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন, একটি হাতব্যাগ এবং কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্র উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও, এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—সে বিষয়ে তদন্তের আগে নিশ্চিত কিছু বলতে রাজি হননি তদন্ত কর্মকর্তারা। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীর পরিচয় নিয়ে নানা ধরনের দাবি ছড়িয়ে পড়লেও, তদন্ত সংশ্লিষ্টরা সবাইকে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয...

আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে...

Image
  টেলিভিশনের টকশোতে আর অংশ নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন ফেসবুক পোস্টে গোলাম মাওলা রনি লেখেন, ‘আল বিদা টকশো। অনিবার্য কারণবশত আজ থেকে কোনো টিভি টকশোতে যাবো না। শুধু আমার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলবো ইনশা আল্লাহ।’ তবে কী কারণে তিনি টেলিভিশনের টকশো থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

হু’জু’রকে ছা’/ত্র বলেন হু’/জুর আপনি যখন রিতু ম্যাডামকে কি…

Image
  যদি কোনো শিক্ষক, হুজুর বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক বা নির্যাতনমূলক আচরণ করেন, তবে তা শুধু একটি অপরাধ নয়, বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকেও নষ্ট করে দেয়। এ ধরনের ঘটনা সামনে এলে অনেক অভিভাবকই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং প্রশ্ন তোলেন, সন্তানকে কীভাবে নিরাপদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাবেন। তবে কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো মাদ্রাসা বা সব হুজুরের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। অসংখ্য শিক্ষক ও আলেম সততা, নিষ্ঠা ও আদর্শের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। যে ব্যক্তি অপরাধ করবে, তার পরিচয় যাই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের আওতায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কার্যকর নজরদারি বাড়ানো এবং অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা প্রয়োজন। শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সবার আগে। কোনো অপরাধই আড়াল করা নয়, বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার প্রধান লক্ষ্য

২ জন ডাক্তার এবং ৫ জন নার্স-এর দীর্ঘ ৫৯ মিনিটের চেষ্টা...

Image
     ২ জন ডাক্তার এবং ৫ জন নার্স-এর দীর্ঘ ৫৯ মিনিটের চেষ্টা কখনো কখনো জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াইটা বাইরে নয়, নিজের শরীরের ভেতরেই হয়। চিকিৎসকদের নিরলস চেষ্টা, ধৈর্য আর দক্ষতার কারণেই অনেক অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। প্রতিটি সফল চিকিৎসার পেছনে থাকে অসংখ্য মানুষের পরিশ্রম, সময় আর দায়িত্ববোধ। স্যালুট সকল চিকিৎসক ও নার্সদের, যারা প্রতিদিন মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

২ মাসের বা’চ্চার বাবার পরিচয় শ’নাক্ত করতে থা’নায় এসে জানায় তারই আপন...

Image
           দুই মাস বয়সী এক শিশুর বাবার পরিচয় নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলার মধ্যে এক ব্যক্তি থানায় এসে শিশুটির বাবার পরিচয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়ার দাবি করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, শিশুটির জন্মের পর থেকেই তার বাবার পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছিল। পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল বলে জানা যায়। একপর্যায়ে বিষয়টি থানায় গড়ায়। সেখানে এসে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি শিশুটির পিতৃত্বের বিষয়ে নিজের বক্তব্য দেন। তবে ওই ব্যক্তির দাবি বা বক্তব্যই যে শিশুটির বাবার পরিচয় নিশ্চিত করে—এমনটি বলা যাচ্ছে না। পিতৃত্ব নিয়ে বিরোধ থাকলে আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হতে পারে। প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষার মতো বৈজ্ঞানিক প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে যাচাই ছাড়াই বিভিন্ন মন্তব্য ও পরিচয় ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, পুলিশি তদন্ত বা আদালতের নথি ছাড়া এসব দা...

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই...

Image
          একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি আরও পড়ুন 👇👇 স্ত্রীর গো*পন অ*ঙ্গে*র দিকে তাকিয়ে সহ*বাস করা কি জায়েজ? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস, পবিত্রতা ও পারস্পরিক সম্মানের সম্পর্ক। অনেক সময় সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন কথা ছড়ানো হয়, যেমন— “স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই”। এই বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হলে ইসলামের মূলনীতি জানা জরুরি। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর জন্য বৈধ উন্মুক্ততা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পরস্পরের জন্য শরীর বৈধ। অর্থাৎ তারা একে অপরের সামনে সম্পূর্ণ উ*ল*ঙ্গ হতে পারে। এতে কোনো গুনাহ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ > “তারা তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।” — সূরা আল-বাকারা: ১৮৭ এই আয়াত দ্বারা বোঝানো হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের নিকটতম ও নিরাপদ সম্পর্ক। স্ত্রী যে তিনটি স্থানে উ*ল*ঙ্গ থাকতে পারে (স্বামীর সামনে) ১. শয়নকক্ষ বা ব্যক্তিগত কক্ষ স্বামীর সঙ্গে নির্জনে নিজের ঘরে স্ত্রী উ*ল*ঙ্গ থাকলে এতে কোনো গুনাহ নেই। বরং বৈবাহিক সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ। ২. গোসলখানা বা বাথরুমে স্বাম...

ব্রেকিং নিউজ লাইভে এসে প’দত্যাগ করলো...

Image
  ব্রেকিং নিউজ: ফেসবুক লাইভে এসে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন এনসিপি নেতা, জানালেন যে কারণে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির মানিকগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জাহিদুর রহমান তালুকদার। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লাইভে এসে তিনি দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কেন পদত্যাগ করলেন তিনি? সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই রাতে ফেসবুক লাইভে এসে জাহিদুর রহমান তালুকদার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। দলটির কর্মপরিবেশের সঙ্গে তিনি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেননি বলে জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনিও হয়তো দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি, আবার দলও তাঁকে যথাযথভাবে গ্রহণ করতে পারেনি। তবে পদত্যাগের পেছনে অন্য কোনো নির্দিষ্ট বিরোধ বা ঘটনার কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এ বিষয়ে তাঁর প্রকাশিত বক্তব্যের বাইরে অনুমান করে কোনো কারণ উল্লেখ করা ঠিক হবে না। ভবিষ্যতে কোন দলে যোগ দেবেন? পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় জাহিদুর রহমান তালুকদার জানান,...

এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন, মাত্র ১০ ...

Image
  এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন! 😰 মেয়েটার বয়স মাত্র ১০ বছর। ক্লাস ফাইভে পড়ে। অথচ এই ছোট্ট মেয়েটাকেই দীর্ঘদিন ধরে ইভটিজিং করছিল ২৩ বছরের যুবক ফয়সাল। দিচ্ছিল প্রেমের কুপ্রস্তাবও। ঘটনাটি বরগুনার বেতাগীর। গত শনিবার রাতে মেয়েটি বাথরুমে গেলে ফয়সাল দরজার ফাঁক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে তাকে স্পর্শ করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। ভয়ে মেয়েটি চিৎকার করলে ফয়সাল পালিয়ে যায়। এরপর মেয়েটির মা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকেন। কিন্তু জানা গেলো পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করে স্থানীয় মেম্বারের উপস্থিতিতে সালিশ বসিয়ে ঘটনাটি ‘মীমাংসা’ করে দেয়! আর সেখানেই যেন আরও ভয়ংকর বিপদের দরজা খুলে যায়। সালিশের সময় ফয়সালের মা নাকি হুমকি দিয়েছিল, “পুলিশ ডাকার ফল ভোগ করতে হবে।” পরদিনই সেই হুমকির ভয়াবহ পরিণতি দেখলো ১০ বছরের শিশুটি। স্কুল থেকে ফেরার সময় স্কুলের বাউন্ডারির ভেতর ওত পেতে থাকা ফয়সাল মেয়েটির ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরে তার সামনের ৩টি দাঁত উপড়ে যায়, আরও ২টি দাঁত ভেঙে যায়। যে শিশুটির বয়স এখনো ১০ বছর, যে স্কুলে পড়ে সে স্কুলেও নিরাপদ নয়। বাথরুমেও নিরাপদ নয়। আর সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, প্রথমবার অভিযোগ পাও...

জীবনের সাথে যু”দ্ধ করে অবশেষে আজ 7:30 চির বি’দায় নিলেন আমাদের প্রিয়…

Image
  জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম, অসংখ্য স্মৃতি এবং অগণিত মানুষের ভালোবাসা পেছনে রেখে আজ সন্ধ্যা ৭:৩০টায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন আমাদের সবার প্রিয় একজন মানুষ। তাঁর চলে যাওয়ার খবরে পরিবার, স্বজন, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করে আসছিলেন। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং পরিবারের নিরলস সেবার পরও শেষ পর্যন্ত জীবনের এই কঠিন লড়াইয়ে তিনি হার মানেন। আজ সন্ধ্যা ৭:৩০টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তিনি ছিলেন একজন সৎ, পরিশ্রমী ও মানবিক মানুষ। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর হাসি, আন্তরিকতা এবং ভালোবাসা চিরকাল স্মরণে রাখবেন তাঁকে চেনা মানুষরা। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার এক অমূল্য অভিভাবক, বন্ধুরা একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী এবং সমাজ একজন ভালো মানুষকে হারালো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর স্মৃতিচারণ করে অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছেন। মৃত্যু অনিবার্য হলেও কিছু মানুষের বিদায় হৃদয়ে গভীর শূন্যতা তৈরি করে। তাঁর কর্ম, আদর্শ এবং রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলো প্রিয়জনদের মাঝে বেঁচে থাকবে...

আমাদের এক প্রতিবেশী মারা গেলেন। আমরা তার দাফনের জন্য কবর খনন করলাম। কিন্তু হঠাৎ

Image
  হযরত আবান বিন আবদুল্লাহ বাজালী (রহ.) বর্ণনা করেন... আমাদের এক প্রতিবেশী মারা গেলেন। আমরা তার দাফনের জন্য কবর খনন করলাম। কিন্তু হঠাৎ কবর থেকে বিড়ালের মতো দেখতে একটি অদ্ভুত প্রাণী বেরিয়ে এল। আমরা ওটাকে তাড়ানোর অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু সে নড়ল না। এমনকি গোরখোদক কুড়াল দিয়ে সেটির কপালে আঘাত করল, তবুও সে সরলো না।" অগত্যা তারা সেই কবরটি ছেড়ে দ্বিতীয় আরেকটি কবর খনন করলেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে সেই কবরেও একই প্রাণী দেখা দিল। এরপর তৃতীয়বার আরেকটি কবর খনন করা হলো, কিন্তু সেই কবরের ভেতরেও সেই একই প্রাণী বসে ছিল। বাধ্য হয়ে সকলে সেই কবরেই মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিলেন। দাফন শেষে যখন আমরা কবরের ওপর বাঁশের চাটাই বা ইট বিছিয়ে সমান করে দিলাম, তখন আমরা কবরের ভেতর থেকে হাড়গোড় মড়মড় করে ভাঙার এক বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। এই শব্দ আমাদের আতঙ্কিত করে তুলল।" উপস্থিত লোকজন ওই ব্যক্তির স্ত্রীর কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা খুলে বললেন এবং জানতে চাইলেন তার স্বামী কী এমন কাজ করতেন যার কারণে এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে হলো। তার স্ত্রী বললেন, সে ফরজ গোসল করত না।" অর্থাৎ সে নাপাক অবস্থাতেই চলাফেরা করত এবং ইবাদতে অ...

ব্যাংকে টাকা রেখে মা’সিক মুনাফা গ্রহণ করে সংসার চালানো কি জা’য়েজ? ইসলাম যা বলে জেনে নিন

Image
     ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা গ্রহণ করা কি সুদের অন্তর্ভুক্ত? ইসলামি ব্যাংক বা সাধারণ ব্যাংকের ডিপিএস ও এফডিআর-এর লভ্যাংশ ভোগ করার শরয়ি সমাধান ও ফতোয়া জানুন। প্রশ্ন: ১. বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংক নামে যেসব ব্যাংক পরিচালিত এই ব্যাংকগুলোতে যে কোনো মেয়াদী ডিপিএস রাখা, তার লভ্যাংশ গ্রহণ করা শরীয়তের দৃষ্টিতে হালাল বা জায়েজ কি নাউত্তর: আমাদের দেশে বর্তমানে শরীয়া মোতাবেক পরিচালিত হওয়ার দাবিদার ইসলামি ব্যাংকগুলো তাদের বিনিয়োগে যথাযথভাবে শরীয়তের নীতিমালা অনুসারণ করে না। তাই শরীয়তের এ সংক্রান্ত নীতিমালা যথাযথভাবে পালনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত এসব ব্যাংকে ডিপিএস, এফডিআর বা অন্য কোনো সেভিং একাউন্টে টাকা রেখে অতিরিক্ত গ্রহণ করা যাবে না। ২. এফডিআর ও ডিপিএস এ নির্দিষ্ট অংকের টাকা যে কোনো মেয়াদী জমা রেখে প্রচলিত ব্যাংক বা ইসলামী ব্যাংক কর্তৃক যে মুনাফা বা লভ্যাংশ দেয় তা নেওয়া যাবে কি না? শরীয়তের দৃষ্টিতে দলীলসহ সমাধান দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল। উত্তর: প্রচলিত ব্যাংকগুলোতে ফিক্সড ডিপোজিট কিংবা অন্যান্য সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলা এবং এর থেকে মুনাফার নামে প্রাপ্ত অর্থ ভোগ ...

এই চাকুরীজীবি বোনের অ`পরা`ধ, উনি অফিস শেষে…

Image
   সারাদিন অফিসের ব্যস্ততা সামলে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পথে রওনা হন এক চাকরিজীবী নারী। ক্লান্ত শরীর নিয়েও তার চিন্তা ছিল পরিবারের জন্য বাজার করা, সন্তানের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা এবং বাসায় ফিরে সবার জন্য খাবার তৈরি করা।কিন্তু সেই দিন বাড়ি ফেরার পথে ঘটে যায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যা মুহূর্তেই বদলে দেয় পুরো পরিস্থিতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ছড়িয়ে পড়লেও, অনেক তথ্যই যাচাই করা ছিল না।এমন ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে তার সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। তাই যেকোনো ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া মন্তব্য বা প্রচার না করাই দায়িত্বশীল আচরণ।প্রতিদিন অসংখ্য চাকরিজীবী নারী পরিবার ও কর্মজীবনের ভারসাম্য রক্ষা করতে নিরলস পরিশ্রম করেন। তাদের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা দেখানো আমাদের সবার দায়িত্ব

বা’/চ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে তাই মশারি টানাতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ মশারির উপরে তাকিয়ে দেখি...

Image
  তাপমাত্রা কখন কি অবস্থায় থাকবে তা বোঝার যেনো কোন সুযোগই নেই। কখনও এক ধাক্কায় চারদিকে জমে যাওয়ার মতো ঠান্ডা, কখনও আবার এমন আবহাওয়া, গরম কালকেও হার মানায়। এ আবহাওয়ায় শিশুদের অবস্থা বেশ কাহিল। সর্দি-জ্বর লেগেই আছে। এমন সময় একেবারে সদ্যোজাত শিশুদের যত্নের সময় নানা রকম চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা। গোসল করানো থেকে গরম-জামা পরানো, নানা বিষয় নিয়েই বাড়ির বড়দের মনে থাকে বিভিন্ন চিন্তা। অনেক অভিভাবক জানেন না শিশুকে ঘুম পাড়ানোর নিরাপদ উপায় কী হতে পারে। অনেকেই আবার নানা রকম ভুলও করেন যা সদ্যোজাত শিশুদের জন্য অনেক বিপদেরও কারণ হতে পারে। জেনে নিন বিষয়গুলো- >> অনেকেই সর্দি-কাশিতে ওষুধ না দিয়ে গরম তেল মালিশ করেন। অভিভাবকদের অনেকেরই ধারণা, বুকে-পিঠে তেল মালিশ করে দিলে বুঝি সর্দি উঠে যাবে। না, তা একেবারেই নয়। এতে সর্দি কাশি ভালো হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও উপকার হয় না। >> যারা সরিষের তেল মাখাতে চান বাচ্চাকে, তাদের মনে রাখতে হবে, সব তেল শিশু শরীরের উপযুক্ত নয়। একবার বাচ্চার র‍্যাশ হয়ে গেলে কষ্ট কিন্তু কমার বদলে বেড়ে যাবে। >> প্রতিদিন গোসল করাতে না চাইলেও অল্টারনেটিভ দিনে শরীর স্পঞ্জ করা প...

নারীর শরীরের ৮০% উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের পাঁচ ..

Image
          নারীর উত্তেজনার ৮০% আসে বাইরের যে পাঁচ স্পর্শকাতর জায়গা থেকে, জানা জরুরিনারীর শরীরের ৮০% উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের বাইরের পাঁচ জায়গা থেকে—যা বেশিরভাগ পুরুষ চেনেই না।” পুরুষদের বড় ভুল—সব মনোযোগ নিচে। কিন্তু সত্যটা সহজ: নারীর উত্তেজনা প্রথম জ্বলে শরীরের পাঁচ বাইরের পয়েন্ট থেকে। এগুলো ঠিকমতো স্পর্শ করলে হরমোন, রক্তপ্রবাহ, আর শিহরণ একসাথে কাজ করে। ১️⃣ ঘাড়ের দুইপাশ এটা নারীর সবচেয়ে দ্রুত-প্রতিক্রিয়াশীল অংশগুলোর একটি। এখানে হালকা স্পর্শ মানে শরীরকে “স্টার্ট” করে দেওয়া। ২️⃣ কোমরের উপরের অংশ (Lower Back) এখানে নারীর স্নায়ু ঘন। ধীরে টানলে বা চাপ দিলে পুরো শরীরের টেন৩️⃣ উরুর ভেতরের দিক এটা শরীরের গেটওয়ে। এটা ছোঁয়া মানে উত্তেজনা বাড়ানো নয়—মানসিক অনুমতি তৈরি করা। ৪️⃣ নিতম্বের পাশে নরম অংশ এখানে স্পর্শ মানে সরাসরি নারীর ব্রেইনকে উত্তেজনার সিগন্যাল পাঠানো। ৫️⃣ কানের নিচের অংশ (Ear Base) এখানে নারীর শরীর সবচেয়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেয়। এটা ঠিকঠাক করলে শরীর ঢেউ নেওয়া শুরু করে—প্রায় সঙ্গে সঙ্গে।শন বদলে যায়।

২০০৩ সালে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্র’ধানম’ন্ত্রী তারেক রহমান, সেখানে লেখা ছিল.

Image
   ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা তাঁর ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ স্মৃতি শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানান, ২০০৩ সালে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমা দেখার পর তৎকালীন বিএনপির নেতা তারেক রহমান তাঁকে একটি শুভেচ্ছাবার্তা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন। পূর্ণিমার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে সপরিবারে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমাটি দেখেছিলেন তারেক রহমান। সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি পূর্ণিমাসহ সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠিটি পাঠান। চিঠিতে সিনেমাটির প্রশংসা করে লেখা ছিল—“এ রকম সিনেমা নিয়মিতভাবেই নির্মাণ হওয়া উচিত। আমরা যেন আমাদের ভালো কাজের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে পারি”— এমন কামনাও তিনি ব্যক্ত করেছিলেন বলে পূর্ণিমা জানিয়েছেন। পূর্ণিমা আরও জানান, সেই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমানের মতো বিস্তার ছিল না। তাই চিঠিটি পেয়ে তাঁর মা পরিচিত সাংবাদিকদের দেখিয়েছিলেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা ও সিনেমার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তাঁদের কাছে বেশ আনন্দের ও অনুপ্রেরণার বিষয় ছিল। বিষয়টি নিয়ে পূর্ণিমার স্মৃতিচার...

স্বামীর বন্ধুকে ৩ দিন ৩ রাত বাসায় রেখে খাওয়ানোর পর জানতে পারলো ব’ন্ধুই স্বা’মীকে...

Image
    স্বামীর বন্ধুকে ৩ দিন ৩ রাত বাসায় রেখে খাওয়ানোর পর জানতে পারলেন, বন্ধুই স্বামীর সঙ্গে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল পোস্টে বলা হচ্ছে, এক নারী তার স্বামীর এক বন্ধুকে কয়েক দিন ধরে নিজের বাড়িতে অতিথি হিসেবে রাখেন। স্বামীর পরিচিত ও বন্ধু হওয়ায় ওই ব্যক্তিকে নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো সন্দেহ করা হয়নি। বরং অতিথি হিসেবে তাকে যথাসম্ভব আপ্যায়ন করা হয়। ভাইরাল দাবিতে বলা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি টানা তিন দিন তিন রাত তাদের বাসায় অবস্থান করেন। এ সময় তাকে নিয়মিত খাবার পরিবেশন করা হয় এবং পরিবারের একজন সদস্যের মতোই আতিথেয়তা করা হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ায় ওই নারীও বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলেন বলে পোস্টে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু কয়েক দিন পর কথিত ওই বন্ধুকে ঘিরেই নাকি সামনে আসে অপ্রত্যাশিত একটি তথ্য। এরপর পরিবারের মধ্যে তৈরি হয় সন্দেহ ও উত্তেজনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোতে ঘটনাটিকে নানা রকম নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হলেও, ঠিক কী ঘটেছিল বা ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী অভিযোগ উঠেছিল—সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়া য...

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...

Image
         দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—এসব জানতে পুরো ঘটনাটি জানা জরুরি। বিস্তারিত তথ্য সামনে...

ভালোবাসার বিশ্বাসে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে কো/রিয়ান ত’/রুণী এসে দেখে তার স্বামী...

Image
    ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, এক কোরিয়ান তরুণী ভালোবাসার টানে বিদেশ থেকে এসে তার স্বামীকে নিয়ে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। তবে ঘটনাটি কোথায়, কখন ঘটেছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যকে যাচাই ছাড়া সত্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়। বিদেশি নাগরিক, আন্তঃদেশীয় বিয়ে বা পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে অনেক সময় আবেগঘন ও চাঞ্চল্যকর শিরোনামে অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তাই এমন কোনো দাবি বিশ্বাস বা প্রচার করার আগে নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য যাচাই করা জরুরি। যদি ঘটনাটি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত, বিবৃতি বা নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, তাহলে তার ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত যাচাইবিহীন তথ্য বা গুজব প্রচার থেকে বিরত থাকাই দায়িত্বশীল আচরণ।

রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …

Image
     রাত প্রায় ১২টা। সবাই ঘুমিয়ে গেছে, বাইরে নিস্তব্ধ পরিবেশ। ঠিক সেই সময় একজন ব্যক্তি ঘুমানোর জন্য নিজের রুমে ঢোকেন। রুমে ঢোকার পর স্বাভাবিকভাবেই তিনি বালিশ ঠিক করতে যান। কিন্তু বালিশের নিচে তাকাতেই হঠাৎ তিনি কিছু একটা দেখে কিছুটা চমকে যান। পরে বিষয়টি ভালোভাবে দেখে বোঝা যায়, এটি আসলে একটি সাধারণ ভুল বোঝাবুঝি বা আগে থেকে থাকা কোনো জিনিস ছিল। পরিবারের সদস্যদের মতে, রাতের নিস্তব্ধতা আর অন্ধকারে অনেক সময় ছোট বিষয়ও বড় মনে হতে পারে। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছেন, তবে নিশ্চিতভাবে কিছু না জেনে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো

নে*শা*র টা’/কা না পাওয়ায় মায়ের প*র*কী*য়া*র কা’/হিনী ধ’/রিয়ে দিল...

Image
  পরিবারের মধ্যে বিশ্বাস, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সম্মান একটি সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি। কিন্তু নেশার আসক্তি, অর্থনৈতিক চাপ এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব একসঙ্গে দেখা দিলে অনেক সময় সম্পর্কের মধ্যে তৈরি হয় জটিলতা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি চাঞ্চল্যকর শিরোনামে দাবি করা হয়েছে, নেশার টাকা না পেয়ে এক সন্তান তার মায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা অন্যদের কাছে প্রকাশ করে দিয়েছে। তবে ঘটনাটির সত্যতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা ঘটনার পেছনের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত নয়। নেশার টাকা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ শিরোনামটি থেকে বোঝা যায়, অর্থ চাওয়া এবং তা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মা ও সন্তানের মধ্যে বিরোধ তৈরি হওয়ার দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সেই বিরোধের জেরে সন্তানের পক্ষ থেকে মায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, টাকা চাওয়ার বিষয়টি কতটা সত্য কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগের কোনো প্রমাণ আছে কি না—এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অভিযোগ উঠলেই সেটিকে সত্য ঘটনা হিস...