Posts

নিখোঁজ হওয়ার আগে শেষ রাতে কী ঘটেছিল তাহসিফের সঙ্গে? মুখ খুললেন বন্ধু দ্বীপ...

Image
  সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর আগে শেষ রাতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সামনে এসেছে নতুন কিছু তথ্য। তাঁর সঙ্গে শেষবার দেখা হওয়া ব্যক্তিদের একজন দ্বীপের বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। সাংবাদিকদের ফোনে দ্বীপ জানান, ঘটনার দিন রাতে তাঁরা দুজন একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছিলেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলাদা হয়ে যান। বাসায় ফেরার পর নিরাপদে পৌঁছানোর খবর দিতে তাহসিফকে ফোন করেছিলেন তিনি। তবে তখন তাঁর ফোন বন্ধ পান। পরদিনই তাহসিফের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। অন্যদিকে, তাহসিফের বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, দ্বীপই তাঁকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দ্বীপ একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। দ্বীপের ভাষ্য অনুযায়ী, তাহসিফ মাঝেমধ্যে তাঁকে বলতেন, ‘আমি যদি না থাকি, তাহলে আমার ছোট ভাইকে একটু দেখে রাখিস।’ তবে কেন তাহসিফ এমন কথা বলতেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি দ্বীপ। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দ্বীপ জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে সন্দেহ করার মতো কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই। এদিকে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের আলোচিত ভ...

এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।সাত মিনিট ধরে নিজের মুখ দিয়ে…

Image
এক অবিশ্বাস্য ঘটনা! সাত মিনিট ধরে নিজের মুখ দিয়ে অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকের প্রাণ ফিরিয়ে আনলেন চিকিৎসক… হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে হঠাৎই নেমে আসে উৎকণ্ঠা। জন্মের পরপরই ছোট্ট নবজাতকটি ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছিল না। মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ। ডিউটিরত চিকিৎসক ও নার্সরা দ্রুত শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক ছিল যে, চিকিৎসক নবজাতকের শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করার জন্য জরুরি পুনরুজ্জীবন (Resuscitation) প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রতিটি সেকেন্ড তখন ছিল অমূল্য। দীর্ঘ কয়েক মিনিটের নিরলস চেষ্টার পর হঠাৎই শিশুটির বুক ওঠানামা শুরু হয়। এরপর ভেসে আসে ক্ষীণ কান্নার শব্দ। সেই কান্নাই যেন পুরো কক্ষে স্বস্তির নিঃশ্বাস এনে দেয়। উপস্থিত সবার চোখে তখন আনন্দ আর আবেগের অশ্রু। শিশুটিকে পরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং তার অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত, দক্ষতা ও নিরলস প্রচেষ্টাই একটি নতুন জীবনকে বাঁচিয়ে দেয়।

কুমিল্লায় এলাকাবাসীর কাছে ধ’রা পড়লো ৩০ বছরের ম’হিলা এবং তার আপন...

Image
  কুমিল্লার একটি এলাকায় চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে এক ৩০ বছর বয়সী নারী ও তার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকে রাখা হয়েছে বলে এলাকায় আলোচনা চলছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের চলাফেরা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল। পরে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে তাদের দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ বা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য দেয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে অভিযোগকে সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয...

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

Image
           খারাপ জায়গায় যান? এই লেখাটা ঠিক আপনাদের জন্য। ৩৬ বছর বয়সী একজন পুরুষ। পুরুষের সাথেই যৌ/ন সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। আজ তাঁর মুখের ভেতর ছড়িয়ে আছে তিনি HIV/AIDS এ আক্রান্ত নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন। তবুও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই দুর্বল যে সাধারণ একটি ভাইরাস আজ ক্যান্সারের মতো আচরণ করছে (Kaposi sarcoma, HPV সংক্রমণ)। এটাই HIV-এর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক— অবৈধ যৌ/ন সম্পর্ক, নিষিদ্ধ জায়গায় যাওয়া, একাধিক পার্টনার, এই ছোট “ভুলগুলোই” একদিন পুরো জীবন পাল্টে দেয়। একবার ইমিউন সিস্টেম ভেঙে গেলে সংক্রমণ আর ক্যান্সার সুযোগ নেয়। নিজেকে প্রশ্ন করুন— L এক মুহূর্তের আনন্দ এই পরিণতির যোগ্য? নিয়মিত HIV ও STI টেস্ট করুন। লজ্জা না, সচেতনতা জীবন বাঁচায় এই পোস্টটা শেয়ার করুন। ডা:আব্দুর রহমান

রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …

Image
      রাত প্রায় ১২টা। সবাই ঘুমিয়ে গেছে, বাইরে নিস্তব্ধ পরিবেশ। ঠিক সেই সময় একজন ব্যক্তি ঘুমানোর জন্য নিজের রুমে ঢোকেন। রুমে ঢোকার পর স্বাভাবিকভাবেই তিনি বালিশ ঠিক করতে যান। কিন্তু বালিশের নিচে তাকাতেই হঠাৎ তিনি কিছু একটা দেখে কিছুটা চমকে যান। পরে বিষয়টি ভালোভাবে দেখে বোঝা যায়, এটি আসলে একটি সাধারণ ভুল বোঝাবুঝি বা আগে থেকে থাকা কোনো জিনিস ছিল। পরিবারের সদস্যদের মতে, রাতের নিস্তব্ধতা আর অন্ধকারে অনেক সময় ছোট বিষয়ও বড় মনে হতে পারে। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছেন, তবে নিশ্চিতভাবে কিছু না জেনে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো

ইন্না-লিল্লাহ...! ৫ আগস্টের সেই মাস্টারমাইন্ড ভিডিওগ্রাফার আর নেই! তুরাগ নদে মিললো সাবেক পাইলটের লা*...... !

Image
  ইন্না-লিল্লাহ...! ৫ আগস্টের সেই মাস্টারমাইন্ড ভিডিওগ্রাফার আর নেই! তুরাগ নদে মিললো সাবেক পাইলটের লা*...... ! শেখ হাসিনার সেই ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক হেলিকপ্টারে করে পালানোর ভিডিওটির কথা মনে আছে? গণভবনের ভেতর থেকে ধারণ করা সেই এক্সক্লুসিভ ফুটেজটি যিনি প্রথম লাইমলাইটে এনেছিলেন, তিনি হলো, বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এবং মিলিটারি পাইলট কে এম তাহসিফ সৌরি....  ৫ আগস্টের ওই ঘটনার পরপরই তিনি বিমানবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।  প্রথম দিকে বলা হয়েছিল তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু ২০২৩-২০২৫ এর কিছু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছিল যে, ভিডিও ফাঁসের ঘটনার পর এয়ার ইন্টেলিজেন্সের গোপন তদন্তে তাকে চাকরিচ্যুত বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।  বিমানবাহিনী ছাড়ার পর একটি টক-শোতে অংশ নিয়েছিলেন তাহসিফ। সেখানে তিনি ৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে হেলিকপ্টার উড়ে যাওয়ার ভিডিও ধারণ করা এবং তৎকালীন বিমানবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বেশ কিছু স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন। অত্যন্ত রহস্যজনক ২৭ অক্টোবর রাত থেকে হঠাৎ করেই নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। নিখোঁজ হওয়ার ঠিক পরদিনই, ২৮ অক্টোবর ব...

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...

Image
         দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—এসব জানতে পুরো ঘটনাটি জানা জরুরি। বিস্তারিত তথ্য সামনে...